Skip to main content

তাজপুর ভ্রমণ 🏖🏖



                  🏖🏖তাজপুর ভ্রমণ 🏖🏖



এই করোনা আবহাওয়ায় ঘরে বসে বসে পায়ে জং ধরে গেলো। আর ভালো লাগে না। তাই আমার জেঠু (জেঠামশাই), জেম্মা (জেঠিমা), পিসু (পিসেমশাই), পিসি, দাদু নেহা দিদি সবাই প্ল্যান করেছিলো তাজপুর যাবার।  এবার জেঠু আমাকে বললো, ''কি? তুই ও কি যাবি?'' আমি আর এই সুযোগ ছাড়ি? সটাং হ্যাঁ বলে দিলাম। তবে মা বাবা  যাচ্ছিলো না। তাহলে তো আরো বেশি মজা! ১৯ তারিখে যাওয়ার কথা ছিল।  

যাবার সময় মায়ের জন্য মন কেমন করছিলো ও বাবাকে ছেড়ে যেতেও ইচ্ছা করছিলো না। কিন্তু আমি জানতাম যে এ বেড়াতে যাওয়া বেশি দিনের নয়। শনিবার যাচ্ছি, এই তো সোমবার ফিরে এসব।  গাড়ি তে করে সকাল ৮টার সময় সুলতান, রাঞ্চো, থিয়া, বেনজি (আমার পোষ্যরা), মা   বাবাকে টাটা করতে করতে বেরিয়ে  পড়লাম।  কি লম্বা রাস্তা! চলছে তো চলছেই, চলছে তো চলছেই! 

খুব আনন্দ  হচ্ছিলো - শুধু একটা জিনিস আমার একদমই পছন্দ হচ্ছিলো না।  নেহা দিদি ১০০%   💯❗ Volume-এ গান চালিয়ে রেখে ছিল ও তাও যে সে গান না, তা হলো ''পাঞ্জাবি স্লো সং.'' 

চলো এবার তাজপুরে ৭ ঘন্টার পরে ঢুকলাম! বাঁচা গেলো, উফঃ!!! আর এক মিনিট গাড়ি তে বসলে... 

আমাদের হোটেলের নাম ছিল হোটেল অবসর। কিন্তু এ অবসর মানে রিটায়ারমেন্ট না। এটা হোটেলটার নাম। প্রথম দিনের থাকা হচ্ছে, তার ওপর আবার দুপুর⛅বেলাখাওয়া দাওয়া করবো না? 🍲খাবার মোটামোটি ভালোই ছিল তবে নুনটা🧂 একটু কম ছিল আলুপোস্তটাতে। কিন্তু খাবার ইচ্ছা যে করছিলো খুব একটা তা নয় - ওতো দুপুর বেলা কচুরি খেয়েছি, পেটে তো আর বেশি    জায়গা    ছিল বলে মনে হচ্ছিলো না। অনেক কষ্টে খাবার শেষ করে ঘুমোতে গেলাম। ঘুম এলো না বলে দোলনা চড়লাম। তখন জেঠু বললো ''Beach-এ চল''।⛵  

আমার জেঠুর হলো ফটো তোলবার  খুব শখ।  যেখানেই যাবে ক্যামেরা  📷📸 নিয়ে যাবেই।

ওহ! কি ফটোই যে তুললো! বাবা! দু পা এগোতেই ''ওখানে দাঁড়া, ফটো তুলবো!'' 📱

Beach-এ নামবার জন্য যে সিঁড়িটা  ছিল যেমন লম্বা তেমনি ভয়ানক। পুরো বাঁশ  দিয়ে তৈরি আর বাকি জিনিসটা মই-এর মতন।  তবে আমি ভয় পাইনি তা বলা ভুল হবে - দু তিন বার ওঠা নামা করতেই ঠিক অভ্যাসের মতো হয়ে গেলো। পিসি খুবই ভয় পাচ্ছিলো কিন্তু আমি তো হাত ধরে নামিয়ে দিলাম। 

   সারা দিনটাই খুব মজা হলো।  বিকেলে টিভিতে 🏏 খেলা দেখতে দেখতে French Fries🍟  খেলাম।


Good Morning! নতুন দিন শুরু! সকাল সকাল বৃষ্টি☔ পড়ছে! কত আরামই না লাগছে - ঠান্ডা ঠান্ডা!❄️

চা☕ খাবার জন্য সবাই অস্থির হয়ে যাচ্ছিলো - কোথায় চা, কোথায় কে! পরে জানতে পারলাম যে আমাদেরকে রেস্টুরেন্ট গিয়ে চা খেতে হবে! আমার সেই চা মনে থাকবে! চিরকাল মনে থাকবে! 

চিনি🧂 দেয় নি, স্বাদ👅 নেই।  সে চা ১ ঘন্টা বাদে খাওয়ার মতো অল্প ঠান্ডা হলো, কিন্তু আর ১ মিনিট বাদেই  এতো বেশি ঠান্ডা হয়ে গেলো যে খাওয়ার যোগ্য রইলো না।  কোনোমতে কমপ্লিট করলাম চাটিকে। 

আজ আবার দিঘায় ঘুরতে যেতে হবে, তাড়াতাড়ি  রেডি হতে হবে।  - এই তাড়াতে আমি আমার রোদচশমা😎🕶 নিতে ভুলে গেলাম! 

উফ বাবা! কি রোদ রে বাবা! Ice Cream🍨 আছে চিন্তা কিসের?!?! মাছভাত🐟 কাঁকড়া🦀 কত কিছু খেয়ে ব্যাক।  আজকের দিনটা আরো দারুন ছিল! ফ্যান্টাস্টিক!! কিন্তু একটা কিছু মিসিং মনে হচ্ছে না? 

কি? কি? কি? কি? কি?... হ্যাঁ! এইতো মনে পড়েছে! LUNCH IS MISSING!!! ওটাকে কিকরে ভুলে যেতে পারি? দিঘার একটি জনপ্রিয় রেস্টুরেন্টে বসে আরামসে মাংস ভাত খেয়ে হোটেলে ফিরলাম। বাঃ! কি ভালোই না ঘুরলাম! মা বাবা গেলে ওরাও খুব আনন্দ পেতো! মাম্মাম বাবাকে খুব মিসও করছিলাম। বাবা তারাপীঠ গেছিলো। মা বাড়িতে একা। অনেক বার মাকে ভিডিও কল 📞 করে কথা বললাম। মাকে হোটেলটা ঘুরিয়ে দেখালাম। বাবার ফোন লাগছিলো না! কি আর করবো? তারাপীঠে নেটওয়ার্ক খুব বাজে!

পরের দিনটা  মজার ছিল না কারণ সে দিন তো আমরা কলকাতায় ফেরত আসব! ঠিক আছে! মায়ের সাথে দুটো দিন পর দেখা করবো। বাবাও বাড়ি ফিরে এসেছে! 

এই পুরো ট্রিপটা খুব ভালো লাগলো। প্রায় পাঁচ মাস পরে একটু খোলা হাওয়ায় বেড়াতে যেতে পারলাম। দারুন মজা হলো!

স্কুলে অনলাইন P.T. পরীক্ষাটা দিতে পারলাম না বটে কিন্তু এই মজাটা যেটা হলো সেটা P.T. Exam😊 দেওয়ার থেকে অনেক বেশি ছিল!

                                -কুবের নাগ 😶


***আমি আগের সপ্তাহে ব্লগ লিখিনি। কেন জানো? কারণ আমি তো কলকাতায় ছিলামই না!!!!                                                                                       😆😆😆












Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

WILSON'S FORTUNE (story with pics)

                                                            STORY WRITTEN AND CREATED IN PICTURE BY:                                                  -KUBER NAG   

TRANSFORMERS PRIME-THE BIRTH OF CYBERTRON

This Transformers series has always been my favourite. "TRANSFORMERS PRIME" was first presented on the television screen by the HASBRO company in the channel-Discovery Kids in the year 2010 on 29th November. It is the best of all transformers series according to me because of its brilliant animations and a good story sequence. Here is the exciting history of Cybertron, the planet of the autobots. So, to read it, go ahead and " Transform and roll out !!! "                                                 TRANSFORMERS                 THE HISTORY OF CYBERTRON---                                                  Cybertron A t the beginning of the mighty universe, i.e., at the ver...

A Poem ( THE CROW)

                                                                THE CROW                                A Crow came down the walk.                                        Yes!!! He was really a crow!!                            But when he saw me watching him,                                        He gave a sudden bow.                        Of course he did not do so for respecting,             ...